বাংলার মানুষ কখনও এই স্বাধীনতা বিরোধীদের মেনে নেবে নাঃ নৌ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৬:১৫ পিএম, জানুয়ারী ১৪, ২০২০
  • শেয়ার করুন

অপরাধীর ছবি সংবলিত পোস্টার দিয়ে নির্বাচন করার অধিবার নেই দাবি করে নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু ঘাতকরা সেই সুযোগ বঙ্গবন্ধুকে দেয়নি। তারা নির্মমভাবে হ-ত্যা করেছে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের।

তিনি আরো বলেন, আমাদের মনের মধ্যে অনেক কষ্ট আছে ব্যথা আছে। তারপরও আইনের প্রতি আমরা শ্রদ্ধাশীল আছি। তার মানে এই নয়, এ ধরনের যুদ্ধাপরাধী আর স্বাধীনতা বিরোধী যারা আছে তাদের মেনে নেব। বাংলার মানুষ কখনও এই স্বাধীনতা বিরোধীদের মেনে নেবে না।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচার কচিকাচার মেলার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জয় বাংলা সাংস্কৃতিক ঐক্যজোটের আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে যখন ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় লেভেল প্লেয়িং নিয়ে কথা হচ্ছে। আমি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, মাহবুব সাহেব, আপনি নির্বাচন কমিশনার হিসেবে শপথ নিয়েছেন, লেভেল প্লেয়িং বলতে আমরা কী বুঝি? বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরা নির্বাচন করবে আর সেই নির্বাচনে যখন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, সেই নির্বাচন কখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হতে পারে না।

তিনি আরও বলে, লেভেল প্লেয়িং তখনই হবে যখন একজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে পক্ষের আরেকজন নির্বাচন করবে।

তিনি আরও বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়ারা অনেক চেষ্টা করেছেন এই যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করার জন্য। জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যিনি আজকে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তার ছবি দিয়ে বিএনপি প্রার্থীরা পোস্টার করছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ও অপরাধীর ছবি পোস্টারে দিয়ে নির্বাচন করার অধিকার নেই। নির্বাচন কমিশনের কাছে আমি প্রশ্ন রাখতে চাই, একজন অপরাধীর ছবি সংবলিত পোস্টার কীভাবে করা হয়?

স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা স্বাধীনতার সুখ তখনই অনুভব করবো, যখন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণ হবে; আমরা স্বাধীনতার সুখ তখনই অনুভব করবো যখন দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পদার্পণ করবে। এই স্বাধীনতার সুখ অনুভব করার সবচেয়ে বড় অন্তরায় হচ্ছে বিএনপি-জামায়াত।তাদেরকে শুধু দমন করলে হবে না, তাদেরকে শুধু নিয়ন্ত্রণ করলে হবে না, তাদেরকে চিরতরে নির্মূল করার মধ্য দিয়ে আমাদের এই নিরন্তর সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।