সংসদে প্রধানমন্ত্রীর শাড়ীর প্রশংসা

প্রকাশিত: ১১:৫৭ এএম, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২০
  • শেয়ার করুন

আসছে ঋতুরাজ বসন্ত। ফাগুনের ঠিক আগ মুহূর্তে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর পরিহিত শাড়ী নিয়ে চলে সরস আলোচনা। বিষয়টি নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও টিপ্পুনি কাটেন। প্রধানমন্ত্রীর শাড়ীর প্রশংসা করতে গিয়ে তার টিপ্পুনি সহ্য করতে হয়েছে জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুকে। পরে আরও সংসদ তাকে টিপ্পুনি কাটেন।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী বর্ণিল (মাল্টি কালার) একটি শাড়ি পড়ে সংসদে আসেন। ওই শাড়িতে হলুদ রঙের ছাপাও ছিল। প্রশ্নোত্তরপর্বে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, ‘মাননীয় সংসদ নেত্রীকে দেখে আজকে মনে হলো বসন্ত খুব শিগগিরই।’

জাপা সাংসদের এমন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিছুটা মজা করে বলেন, ‘আমার মনে হয় মাননীয় সংসদ সদস্যের জানা উচিত বসন্তের যে রঙ, সেটা কিন্তু বাসন্তী রঙ। আমি কিন্তু বাসন্তী রঙ পড়িনি। এখানে অনেক রঙ আছে। কালোও আছে। আমার মনে হচ্ছে মাননীয় সংসদ সদস্য কালার ব্লাইন্ড। এটা বাংলা করলে হয় রঙকানা। জানি না আজকে বাড়িতে গিয়ে ওনার কপালে কী আছে।’

প্রধানমন্ত্রীর এমন জবাবে সংসদ কক্ষে মৃদু হাসির রোল পড়ে যায়। তবে আলোচনা এখানেই শেষ হয়নি, প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে আইন প্রণয়ন পর্যন্ত ছিল এর রেশ।

বাতিঘর বিল নিয়ে আলোচনার সময় জাতীয় পার্টির জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম সংশোধনী প্রস্তাব দিতে গিয়ে বলেন, ‘মাননীয় স্পিকার আমার বন্ধু (চুন্নু) শুধু কালার ব্লাইন্ড নন, প্রতিবন্ধীও। এদিক-ওদিক ঘাড় ঘোরাতে পারে না। অতদূরে বাসন্তী রঙ দেখল। মাননীয় স্পিকার আপনার শাড়ির রঙও দেখল না। সামনেই আমাদের নেত্রী মাননীয় বিরোধীদলীয় নেত্রী আছেন। তিনিও বাসন্তী রঙের শাড়ি পরেছেন। সেগুলো দেখল না।’

এর আগে ফখরুল ইমাম প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, এত কাছ থেকে বাতিঘর দেখিনি। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার বাতিঘর আমাদের প্রধানমন্ত্রী।’