সর্বশেষ সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় আমাদের জন্য গর্বেরঃ মৌদি

প্রকাশিত: ৩:১৫ পিএম, ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
  • শেয়ার করুন

বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা পূরণে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, মুজিব চিরন্তর।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত ভার্চুয়াল সামিটে অংশগ্রহণকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ভার্চুয়াল সামিটে ৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় আমাদের জন্য একটা গর্বের বিষয়। গতকাল ১৬ ডিসেম্বর ছিল বাংলাদেশের ৪৯তম বিজয় দিবস। দিনটি স্মরণে ভারতের জাতীয় যাদুঘরে সম্মান প্রদর্শন করেছি। শহীদদের স্মরণে স্বর্ণের বিজয় মশাল প্রজ্জ্বলন করেছি। এই বিজয়ের মশাল ভারতের সর্বত্র নিয়ে যাওয়া হবে। যে গ্রামের মানুষ শহীদ হয়েছে সেই গ্রামেও নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়া মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মুজিববর্ষে সমগ্র ভারতবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।

আগামী বছর বাংলাদেশ ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে মোদি বলেন, আপনার সঙ্গে (শেখ হাসিনা) উপস্থিত থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার সুযোগ পাওয়া এটা আমার জন্য গৌরবের। তিনি বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশের সাথে সুন্দর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গভীরতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও সৌহাদ্যপূর্ণ ও সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান ছিল। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রী, চিকিৎসকদের সহযোগিতা, তাছাড়া ভ্যাকসিন নিয়েও সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে আরও অন্যান্য খাতেও সহযোগিতা অব্যহত থাকবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ইতিমধ্যে সীমান্ত হত্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। উভয় দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে ভূমিকা রাখছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে মোদি বলেন, মুজিব চিরন্তর। বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তসূরি হিসেবে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছেন।